
প্রায় তিন ঘন্টার অনুষ্ঠানের ডালিতে ছিল সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি। এতে স্থানীয় শিল্পীরা অংশ নেন। বিপুল সংখ্যক প্রবাসী দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। এক সময় অনুষ্ঠানটি প্রবাসীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানটি দুটি পর্বের ছিল। প্রথমবাবের মতো আয়োজিত অনুষ্ঠানের কর্মসূচি ছিল কিছুটা অগোছালো।
সবশেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. দেবশীষ মৃধা বলেন, বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্র নজরুলের অবদান অবিস্মরণীয়। সাহিত্যের এই দুই মহিরুহ বাংলা সাহিত্যকে চিরসমৃদ্ধ করেছেন। তিনি নতুন প্রজন্মের মাঝে রবীন্দ্র নজরুল চর্চা ছড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান।

উল্লেখ্য, মিশিগানে এককভাবে রবীন্দ্র নজরুল-জয়ন্তী পালনের এমন উদ্যোগ এই প্রথম। প্রসঙ্গত, বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের দুই মহান পথিকৃৎ, বাঙালির প্রাণের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম চিরন্তন মিশে আছেন আমাদের অস্তিত্বে, মননে। বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের অনন্য অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে অন্তরা অন্তি আয়োজন করেন এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
